ডেস্ক নিউজ: নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. ওয়াহিদুজ্জামানের (৫৮) জানাজায় দলমত-নির্বিশেষে বিপুল মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। স্থানীয়দের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে উপজেলার অন্যতম বৃহৎ জানাজা এটি।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বেলা ১১টায় উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরের ফজিলা রহমান মহিলা কলেজ মাঠে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই মিয়ারহাট বন্দর ও আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামে। হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে মাঠ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে কিছু সময়ের জন্য স্থানীয় সড়কে যান চলাচলও ব্যাহত হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, জানাজা শুরুর আগেই মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শেষবারের মতো প্রিয় নেতাকে শ্রদ্ধা জানাতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন অসংখ্য মানুষ। ভিড়ের কারণে অনেকে দূর থেকেই মরহুমের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, পিরোজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. রুহুল আমিন দুলাল, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ মো. আলমগীর হোসেন, জেলা বিএনপির আহবায়ক মো. নজরুল ইসলাম, এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমতসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব।
এ ছাড়া নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. ফকরুল আলম, সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত, স্বরূপকাঠী পৌর বিএনপির সভাপতি মো. কাজী কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হাসান, সাবেক আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম ফরিদ, উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দীন তালুকদারসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, “ওয়াহিদুজ্জামান ছিলেন একজন দক্ষ সংগঠক, জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক কর্মী। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে তিনি মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন। তাঁর মৃত্যু নেছারাবাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি করেছে।”
জানাজা শেষে মরহুম মো. ওয়াহিদুজ্জামানকে তাঁর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক, সামাজিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


















