Wednesday , 22 April 2026 |
  1. খেলা
  2. চাকরি
  3. জীবনযাত্রা
  4. দেশজুড়ে
  5. বাণিজ্য
  6. বাংলাদেশ
  7. বিনোদন
  8. বিশেষ প্রতিবেদন
  9. বিশ্ব
  10. রাজনীতি

ওজন কমাতে চান, শসা খান

আপনি আপনার শরীরের ওজন কমাতে চান, তাহলে প্রতিদিন শসা খান। শসা ফল হলেও সবজি হিসেবে বেশি পরিচিত। এটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের বিভিন্ন জটিলতা প্রতিরোধে সাহায্য করে থাকে। বিশেষ করে রমজান মাসে যখন দীর্ঘ সময় পানাহারে বিরত থাকতে হয়, তখন শসা খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়ে যায়। এতে পানির পরিমাণ এবং এর খাস্তা ভাব ফলের চেয়ে বেশি কার্যকরী।

শসা শুধু ওজন কমাতে সাহায্য করে না। শসা একটি আদর্শ খাবার। এক কাপ শসায় মাত্র ১৬ ক্যালোরি থাকে। এর উচ্চ পানি এবং কম ক্যালোরি উপাদান ওজন কমাতে ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া ইফতারে বেশির ভাগ ভাজাপোড়াজাতীয় খাবার থাকে। ফলে রমজানের পর ওজন বেড়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়। তাই এই সময় ভারসাম্য বজায় রাখতে শসা খাওয়া উচিত।

কারণ শসায় ক্যালোরি খুব কম থাকায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল অনেক বেশি পাওয়া যায়। প্রায় ৩০০ গ্রাম আকৃতির খোসাসহ শসায় থাকে ৪৫ ক্যালোরি, ১১ গ্রাম কার্বস এবং দেড় গ্রাম আঁশ। ভিটামিন সির দৈনিক চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ শসা থেকে পাওয়া যায়। এ ছাড়া শসায় ভিটামিন ‘কে’ প্রচুর থাকে। এতে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কারণ শসা সবসময় খোসাসহ খাওয়া উচিত। শসায় ৯৬ শতাংশ পানি থাকে বলে ইফতারে শসা খেলে তা দিনের পানিশূন্যতা পূরণে জাদুর মতো কাজ করে। আর শসার খোসা ছিলে ফেললে এর আঁশ এবং অনেক পুষ্টি উপাদান কমে যায়।

শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য পানি অপরিহার্য। আমরা পানি পানের মাধ্যমে এই চাহিদা পূরণ করে থাকি। তবে আমাদের শরীরের প্রয়োজনীয় পানির প্রায় ৪০ শতাংশ খাবার থেকে আসতে পারে। শসায় ৯৬ শতাংশ পানি থাকে, যা দীর্ঘ সময় শরীর সজল রাখতে দারুণ কার্যকর।

আর পানিশূন্যতা কোষ্ঠকাঠিন্যের প্রধান কারণ। রোজায় খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের কারণে অনেকের কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। শসায় পানি এবং পানিতে দ্রবণীয় আঁশ থাকে, যা অন্ত্রের পেশি সচল রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হজম প্রক্রিয়া সহজ করে থাকে। রমজানে এমনিতেই পানি পান কম হয়। তাই ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত সুবিধামতো সময় অনুযায়ী শসা খাওয়া যেতে পারে।

তবে শসা অত্যন্ত পুষ্টিকর ও উপকারী খাবার হলেও এর কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থায় এড়িয়ে চলা বা সতর্কতার সঙ্গে খাওয়া উচিত। যাাদের হজমে সমস্যা বা আইবিএসের মতো পেটের রোগ আছে, তাদের ক্ষেত্রে শসা গ্যাস বা বদহজমের কারণ হতে পারে। এমন সমস্যায় অল্প পরিমাণে খেয়ে দেখা উচিত, এটি আপনার শরীরে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে কিনা। আর যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন করছেন, তাদের অতিরিক্ত শসা খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত। শসায় থাকা প্রচুর ভিটামিন কে রক্ত পাতলা করার ওষুধের কার্যকারিতায় বাধা দিতে পারে। এ ধরনের রোগীদের প্রতিদিন ভিটামিন কে গ্রহণের পরিমাণ স্থিতিশীল রাখা জরুরি।

সর্বশেষ - সর্বশেষ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার, তবুও রক্ষা হয়নি শিশু ফাতেমার— খানজাহান আলী দীঘিতে কুমিরের মুখে ৭ বছরের শিশু

বালাই দমনে ‌‘ককটেল স্প্রে’ কৃষির জন্য মরণফাঁদ

জেলা পরিষদ এর প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান পিরোজপুর জেলা বাস ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দরা

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে এগোচ্ছে সরকার

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণে এগোচ্ছে সরকার

পরাজয়ে প্রতিজ্ঞ বীর, বিজয়ে বিনয়ী: মানসুরা

পিরোজপুরে জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের নবনির্বাচিত সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত

জবির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে নবীনবরণ ও বিদায় অনুষ্ঠিত

পিরোজপুরের নেছারাবাদে ১৪ বছরের স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, পিতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ: অভিযুক্ত পিতা পলাতক 

পিরোজপুরে বাসের ধাক্কায় নিভে গেল কলেজ শিক্ষার্থীর জীবন

মুন্সীগঞ্জে চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট পরিমাণ তেল মজুত রয়েছে : ডিসি